মঙ্গলবার, ৭ জুন, ২০১৬

"বাবরী মসজিদ আমাদেরকে চিৎকার করে বলতেছে "....!!

কোন মন্তব্য নেই:

"বাবরী মসজিদ আমাদেরকে চিৎকার করে বলতেছে "....!!
.
আহ ! আমার দরজা আর দেয়াল উপড়ে ফেলা হচ্ছে।আমার পবিত্র অঙ্গনকে অপবিত্র জুতার তলায় পিষা হচ্ছে।
.
ওহে মুসলিম মিল্লাত!
আজ তোমরা কোথায়?
আমি তোমাদের মর্যাদার উজ্জ্বল মশাল, আমি তোমাদের সম্মানবোধের পরীক্ষা।
.
দেখ ! আজ আমার সীনাকে ঝাঁঝরা করে দেয়ার জন্য, আমাকে ভূতের আশ্রমে পরিণত করার জন্য জালিম হিন্দুগোষ্ঠী কোদাল হাতে আমার দিকে তেড়ে আসছে।
:
ওহে ঈমানদার লোকেরা !
তোমাদের হলো কি?
তাহলে কি আমাকেও আফগানিস্তানের মসজিদগুলোর পরিণতি বরণ করতে হবে?
.
আমাকেও কি রাশিয়ার মসজিদগুলোর মত শরাব আর মদের আড্ডাখানায় পরিণত করা হবে?
.
আমার মাঝেও কি মূর্তি রেখে তার অর্চনা চলবে!?
আজ তোমরা কোথায়??
;
আজ আমি একজন মাহমূদ গজনবীর অপেক্ষায় আছি, মাহমূদ গজনবীরা কি সবাই মরে গেছে?
.
ভবিষ্যতে আর কখনো কি কো মাহমূদ গজনবীর জন্ম হবে না??
.
আজ আমার একজন মুহাম্মদ বিন কাসিমের প্রয়োজন। মুহাম্মদ বিন কাসিম কি শুধু কোন ব্যক্তি বিশেষের নাম ছিলো যে আজ তাঁর অস্তিত্ব শেষ হয়ে গেছে?
.
বরং মুহাম্মদ বিন কাসিম তো ছিল একটি আদর্শের নাম।
:
সাহাবায়ে কিরাম (রাযিঃ) -এর সম্মান মর্যাদা নিয়ে যারা কথা বলেন, তারা একটু ভেবে দেখুন তো, আজ যদি হযরত সিদ্দীকে আকবর (রাযিঃ) জীবিত থাকতেন তাহলে কি আমাকে এভাবে গুঁড়িয়ে দেয়া সম্ভব হতো!?
.
যদি আজ হযরত ফারুকে আযম (রাযিঃ) জিন্দা থাকতেন তাহলে আজ এখানকার দৃশ্য কি হতো চিন্তা করছো??
:
আমার অস্তিত্ব তো এজন্যই হয়েছিলো যে, হযরত খালিদ বিন ওয়ালীদের রুহানী সন্তানেরা আমার মাঝে সিজদাবনত হবে। আমার তো একথা জানা ছিলো না যে, তোমাদের মাঝে এতটুকু যোগ্যতাও থাকবে না যার দ্বারা তোমরা মহান আল্লাহর ঘরকে রক্ষা করতে পারবে না।
:
স্মরণ রেখো !
আমি শুধু কাদা মাটির তৈরি একটি ইমারত সর্বেস্বর নাম নই। বরং আমি তো মুসলমানদের উত্থান ও পতনের নিদর্শন। আমি কোন বাতিল ও নিঃশেষিত হয়ে যাওয়া ধর্মমতের পূজার কেন্দ্র নই। আমি মুহাম্মদে আরাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ব্যাপক শ্রম ও মেহনতের সুফল, আমি ঐতিহাসিক বদর-উহুদের কুরবানীর প্রতিদান। ঐতিহাসিক তাইফের প্রান্তরে প্রস্তরাঘাতে জর্জরিত হয়েও দ্বীনের সংরক্ষণকারী মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আমি ইয়াদগার বা স্মরণিকা। আমি হুনাইন ও কাদেসিয়ার ঐতিহাসিক বিজয়ের নির্যাস।
:
আজ কি আমার অস্তিত্বকে নিঃশেষ করে দেয়া হবে??
.
তোমরা কি আমাকে রামপন্থী হিন্দুদের হাতে সোপর্দ করে দিবে!?
.
আত্মসম্মানবোধের এ মহান পরীক্ষায় তোমরা ব্যর্থ হয়ে যাবে?
:
তাহলে ভালভাবে শুনে নাও !!
যদি আজ আমাকে ভেংগে গুঁড়িয়ে শেষ করে দেয়া হয় তাহলে প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কত মারাত্মক কষ্ট পাবেন, নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পবিত্র আত্মা অস্থির হয়ে পড়বে।
.
তোমরা কি এজন্যই বেঁচে আছো যে, তোমাদের প্রিয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শুধুই কষ্ট দিতে থাকবে? যদি আজ এখান থেকে আমার অস্তিত্বকে মুছে ফেলা হয়, তবে মনে রেখ কাল কিয়ামতের দিনে আমি তোমাদের কলার চেপে ধরবো, সেদিন তোমরা অপরাধীর কাঠগড়ায় দন্ডায়মান হবে।
.
বলো ! সেদিনের জন্য তোমরা কি কোন জবাব প্রস্তুত করে রেখেছো!???
:
#আমার প্রান-প্রিয় শাইখ মাসঊদ আযহার।

সোমবার, ৬ জুন, ২০১৬

#বাংলাদেশের জাতীয় শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের কি-পয়েন্টে এরা কারা?

কোন মন্তব্য নেই:

#বাংলাদেশের জাতীয় শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের কি-পয়েন্টে এরা কারা?

আমার বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে যে, ৯২ভাগ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসংখ্যা অধ্যুষিত একটি দেশের জাতীয় শিক্ষাব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ মুসলমানদের হাতে নেই।
.
নিচের তালিকাটি কি আসলেই বাংলাদেশের নাকি অন্য কোন দেশের!

১. প্রাথমিক শিক্ষা অধিপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) শ্যামল কান্তি ঘোষ।
.
২. পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সচিব বজ্র গোপাল ভৌমিক।
.
৩. কারিগরি শিক্ষা অধিপ্তরের মহাপরিচালক ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জনাব অশোক কুমার বিশ্বাস।
.
৪. সৃজনশীল পদ্ধতি বাস্তবায়নকারী মাধ্যমিক শিক্ষা খাত উন্নয়ন কর্মসূচির (সেসিপ) যুগ্ম পরিচালক রতন কুমার রায়।
.
৫.সৃজনশীল পদ্ধতি বাস্তবায়নকারী মাধ্যমিক শিক্ষা খাত উন্নয়ন কর্মসূচির (সেসিপ) বিশেষজ্ঞ ড. উত্তম কুমার দাশ।
.
৬. ঢাকা বোর্ডের উপ-কলেজ পরিদর্শক অদ্বৈত কুমার রায়।
.
৭. চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সচিব ড. পীযুষ কান্তি দন্ত।
.
৮. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সুবোধ চন্দ্র ঢালী।
.
৯. বাংলাদেশের পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়্যারম্যান নারায়ন চন্দ্র পাল।
.
১০. ঢাকা বোর্ডের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শ্রীকান্ত কুমার চন্দ্র।
.
১১. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব অজিত কুমার ঘোষ।
.
১২. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব পতিত পাবন দেবনাথ।
.
১৩. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব অসীম কুমার কর্মকার।
.
১৪. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-প্রধান স্বপন কুমার ঘোষ।
.
১৫. শিক্ষামন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্রী বনমালী ভৌমিক।
.
১৬. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. অরুণা বিশ্বাস।
.
১৭. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব স্বপন কুমার সরকার।

৯২% মুসলমানের এই দেশের সবচেয়ে গুরত্বপূর্ন মন্ত্রনালয়, শিক্ষামন্ত্রনালয়ের গদিতে যদি এরাই বসে তাহলে পুরো দেশে দাংগা আর অরাজগতা সৃষ্টি হতে খুব অল্প সময় বাকি। বিষয়টা এখন পুরোপুরি পরিষ্কার।

◆ কারণ ইতিমধ্যে তারা...

→ ২য় শ্রেনীর বই থেকে ‘সবাই মিলে করি কাজ’ শিরোনামে মহানবি সাঃ-এর সংগক্ষিপ্ত জীবনি বাদ দিয়েছে...।
.
→ ৩য় শ্রেনীর বই থেকে খলিফা হযরত আবু বকর শিরোনামে একটি সংক্ষিপ্ত জীবনি বাদ দিয়েছে...।
.
→ ৪র্থ শ্রেনীর বই থেকে খলিফা হযরত ওমর রাঃ এর সংক্ষিপ্ত জীবনি বাদ দিয়েছে…।
.
→ ৫ম শ্রেনীর বই থেকে বিদায় হজ্জ নামক শেষ নবীর সংক্ষিপ্ত জীবনি বাদ দেয়ার মত দুঃসাহস দেখিয়েছে…।
:
→ ৫ম শ্রেনীর বইয়ে এদেশের ইসলাম-বিদ্বেষী একজন কুখ্যাত নাস্তিক হুমায়ুন আজাদ লিখিত ‘বই’ নামক কবিতা অন্তর্ভূক্ত করেছে…।

যা মূলত মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কোরআন বিরুধী কবিতা।
.
→ ৬ষ্ঠ শ্রেনীর বইয়ে সত্যেন সেনের ‘লাল গরুটা’ নামক একটি ছোটগল্প। যা দিয়ে মুসলিম শিক্ষার্থীদের শেখানো হচ্ছে গরু হচ্ছে- মায়ের মত, তাই গরু জবাই করা ঠিক নয়; অর্থাৎ হিন্দুত্ববাদ।
.
→৭ম শ্রেনীর বইয়ে শরৎচন্দ্র চট্রপাধ্যায়ের ‘লালু’ নামক গল্প। যাতে শেখানো হচ্ছে হিন্দুদের কালিপুজাঁ ও পাঠাবলির কাহিনি।
.
→৮ম শ্রেনীর বইয়ে হিন্দুদের ধর্ম-গ্রন্থ ’রামায়ন’ এর সংক্ষিপ্ত রুপ অন্তর্ভূক্ত করেছে…।

এরকম বলে শেষ করা যাবে না।
.
ණ পরিশেষে বলতে চাচ্ছি,
আপনার সন্তানদের জিম্মাদার আপনি নিজেই। সুতরাং, এখন থেকে এসকল ইসলাম বিরুধী অপতৎপরতার বিরুদ্ধে স্বচ্চার হোন। নয়ত, অদুর ভবিষ্যতে বড় অংকের মাশুল গুনতেই থাকবেন। কোন ফায়দার দেখা মিলবে না।
:
সবার্ধিক শেয়ার করে ঘুমন্ত জাতিকে জাগ্রত করে দিন....

(Collected))

আমি:হুজুর! আপনারা,জিহাদের কথা বলেন না কেন? সারা বিশ্বে মুসলিমরা আজ নির্যাতিত। কাশ্মীরে,আফগানিস্থানে, সিরিয়াতে,ইরাকে,চেচনিয়ায়, আরাকানে,ফিলিস্থিনে আজ মুসলমানদেরকে পাখির মত গুলি করে হত্যা করা হচ্ছে।

কোন মন্তব্য নেই:

আমি:হুজুর! আপনারা,জিহাদের কথা বলেন না কেন? সারা বিশ্বে মুসলিমরা আজ নির্যাতিত। কাশ্মীরে,আফগানিস্থানে, সিরিয়াতে,ইরাকে,চেচনিয়ায়, আরাকানে,ফিলিস্থিনে আজ মুসলমানদেরকে পাখির মত গুলি করে হত্যা করা হচ্ছে।মুসলমানদের প্রথম কেবলা বায়তুল মোকাদ্দাস ইয়াহুদীদের দখলে।বাবরি মসজিদকে ধ্বংস করা হয়েছে।
তারপরেও কি জিহাদের কথা বলবেন না হুজুর?
এখনো কি মানুষকে শুধু নামাজের দিকে ডাকবেন????????
.
হুজুর :উমাইয়ের। দেখ,আমরা জিহাদের কথা এই কারনে বলিনা যে,জিহাদ করতে গেলে ঈমান মজবুত করতে হবে,ঈমানের মেহনত করা লাগবে, শক্ত-মজবুত ঈমান থাকা লাগবে।
.
উমাইয়ের :হুজুর! নামাজ পড়তে কি ঈমান লাগেনা?
.
রোযা রাখতে কি ঈমান লাগেনা?
.
হ্বজ করতে কি ঈমান লাগেনা?
.
আপনি হয়তো জানেন না হুজুর,
বেঈমানের জন্য হজ্ব ফরয নই,
নামাজ ফরয নই,রোযা ফরয নই।
.
সাহাবায়ে কেরাম যুদ্ধের ময়দানে ঈমান এনে সংগে যুদ্ধ করতে চলে গেছেন এবং শহীদ হয়েছেন। তারাতো ঈমানের মেহনত করার সময় পাইনি।নাকি বলবেন, তারা দুর্বল ঈমানদার ছিল আর আপনারা মসজিদে ঘুরে ঘুরে আপনারা শক্ত ঈমানদার হয়ে গেছেন তাই না???
.
হুজুর শুনে রাখুন!
যেই পরিমান ঈমান দিয়ে নামাজ পড়া যায়,
.
যেই পরিমান ঈমান দিয়ে রোযা রাখা যায়,
.
যেই পরিমান ঈমান দিয়ে হ্বজ্জ করা যায়,
.
যেই পরিমান ঈমান দিয়ে যাকাত দেয়া যায়,
.
সেই পরিমান ঈমান দিয়ে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদও করা যায়।
.
হুজুর:দেখ উমাইয়ের। মানুষকে বেশি বেশি দাওয়াত দিতে হবে নামাজের তাহলে সব ঠিক হয়ে যাবে।
.
আমি:হুজুর!আপনাদের দাওয়াত দেখে মনে হয় কি জানেন?বেয়াদবি মাফ করবেন,আমার মা-কে আমার সামনে রাস্তায় ধর্ষণ করা হচ্ছে,আর আমি আল্লাহর কাছে সেই ধর্ষণকারীর জন্য হেদায়েতের জন্য দোয়া করছি আর বলছি লোকটাকে আগে নামাজের দাওয়াত দিতে হবে।অথচ আমার মা আমাকে সাহায্যের জন্য গলা ফাটিয়ে চিৎকার করে করে ডাকছেন আর বলছেন,বাবা!আমাকে সাহায্য কর,আমাকে সাহায্য কর,আমাকে সাহায্য কর,আমিই তোর মা,,,,,,,
.
#আমার প্রান-প্রিয় শাইখ মুফতি জসীমুদ্দিন রহমানি হাফিযাহুল্লাহর বয়ান থেকে নেয়া।

তাবলীগ জামায়াতের চিন্তাশক্তি নাই তাহারা চাহিয়াছে এমন একটি দল সৃষ্টি করিতে যাহাদের ধর্মীয় ধ্যান- ধারনা সাথে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট, আমেরিকান কংগ্রেস এবং সমগ্র ইহুদী জাতি একমত হইবে ।

কোন মন্তব্য নেই:

তাবলীগ জামায়াতের
চিন্তাশক্তি নাই তাহারা চাহিয়াছে এমন একটি দল সৃষ্টি করিতে যাহাদের ধর্মীয় ধ্যান- ধারনা সাথে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট,
আমেরিকান কংগ্রেস এবং সমগ্র ইহুদী জাতি একমত হইবে ।
.
ইসলাম সম্পর্কে সেই জামাআতের ধারনা
হইবে পাচঁ ওয়াক্ত নামাজ পড়া, সুন্নাহ সম্মত লেবাছ পড়া । তাছাড়া মেছওয়াক করা, মাশায়াল্লাহ !খুব ভালো ।
.
তাহারা চায় যাহাতে দাঁতের এনামেলের কোন ক্ষতি না হয়, ভালো ভাবে পরিষ্কার চক্চকে হয় ।
ফলে হাসিলে মনে হইবে তাহাদের দাঁত তারকারাজির ন্যায় চকমক করিতেছে,
মাশায়াল্লাহ ।
.
পক্ষান্তরে টুথব্রাশ দিয়ে দাঁত মাজিলে এনামেলের ক্ষতি হয়,
দাঁত ঠিকমতো পরিষ্কার হয় না ।
ফলে দাঁত বাহির করিয়া হাসিলেও কেউ মুগ্ধ হয় না ।
ফলে ধর্ম সম্পর্কে আমাদের ধ্যান- ধারনা হইতেছে মসজিদে যাওয়া,নামাজ পড়া এবং ঘরে ফিরিয়া আসা ।
ধর্ম সম্পর্কে আমাদের ধারনা হইল আশেপাশের মুসলমানদের কাছে যাওয়া, (যাহাকে গাস্ত বলা হয়) তাহাদেরকে মসজিদের দিকে ডাকা, নামাজের দিকে, রোজার
দিকে ডাকা ।
কিন্তু ইমরান হোসেন আবোলতাবোল যাহা বলিতেছে তাহার প্রতি আমাদের কর্ণপাত করিবার দরকার নাই । আমরা এমন লোক যাহাদের মাথায় যুক্তি দিয়ে চিন্তাভাবনা বিচার-বিশ্লেষণ করিবার মতো শক্তি নাই।
আমরা আজকের দুনিয়ার কঠিন বাস্তবতা অনুধাবনের চেষ্টা করি না।তাবলীগ জামায়াত, জামায়াতুত তাবলীগ ।
আজকে তাদের প্রতি আমার একটি নসীহত আছে।
.
এই লোকগুলি, যারা আমাদেরই লোক, রূপকথার পরীস্তানে ঘুমিয়ে আছে, গভীর ঘুমে অচেতন ।
এই প্রথম আমি তাদের সম্পর্কে কর্কশ ভাষায় কথা বলিতেছি এবং সময় আসিয়াছে কঠিন কথা বলিবার, যদি আমাদের জ্ঞানবুদ্ধির প্রতি নুন্যতম শ্রদ্ধাবোধ থাকে । আমরা হিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ খ্রীষ্টান যাই হই না কেন, আমাদেরকে অবশ্যই
জানিবার চেষ্টা করিতে হইবে বর্তমান বিশ্বে কি ঘটিতেছে ।
.
আল্লাহ পবিত্র কোরআনে
আপনাদের সম্পর্কে বলিয়াছেন এবং সন্দেহ নাই একথা বাইবেলেও বর্ণিত হইয়াছে ।
.
(একদল লোক সম্পর্কে) “যাদের চক্ষু আছে কিন্তু তাহারা দেখে না”, ইহা আপনারা তাবলীগ জামাআত।
.
“তাহাদের কান আছে কিন্তু তাহারা শোনে না”, ইহা আপনারা তাবলীগ জামায়াত ।
.
“তাহাদের অন্তঃকরণ আছে কিন্তু তাহারা কিছু অনুধাবন করে না”, ইহা আপনারা
তাবলীগ জামাত।
.
“তাহারা পশুদের ন্যায় নির্বোধ, বরং পশুর চাইতেও অধম ”।
তাহারা পশুদের চাইতেও বেশী পথহারা ।
.
আজকের এই কটু ভাষা তাদের বদনাম ছড়ানোর জন্য নয় বরং তাদেরকে নিদ্রা হইতে জাগ্রত করিবার জন্য ।
.
এই কর্কশ ভাষা তাহাদের প্রতি দুষমনীর কারণে নয় বরং সহানুভুতির কারণে ।
তাহারা এমন লোক যাহারা মহাবিশ্বের একমাত্র প্রতিপালক আল্লাহর (আখেরি জামানা সম্পর্কিত)নিদর্শনগুলির প্রতি উদাসীন, যাহা রহস্যময়ভাবে বর্তমানে চারদিকে প্রকাশিত হইতেছে ।
.
আপনাদের কাছে যদি এই সংক্রান্ত সত্য থাকে, তাহা ব্যাখ্যা করুন । নতুবা সত্যকে অনুসন্ধ্যান করুন,কেননা আপনাদের নিকট সত্য নাই । সেই লোকদের দিয়া আল্লাহ কি করিবেন যাহারা কোন চিন্তাভাবনা করে না ?

.মূল - শাইখ ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

শনিবার, ৪ জুন, ২০১৬

আমি:আমাদের ঢাকার এক বক্তা নাম মুফতি জসীমুদ্দিন রহমানি।উনার এক বয়ান দিয়েছে আমাকে উনার এক ভক্ত।উনি বলেছেন সারা বিশ্বে জিহাদ নাকি ফরযে আইন?

কোন মন্তব্য নেই:

আমি:আমাদের ঢাকার এক বক্তা নাম মুফতি জসীমুদ্দিন রহমানি।উনার এক বয়ান দিয়েছে আমাকে উনার এক ভক্ত।উনি বলেছেন সারা বিশ্বে জিহাদ নাকি ফরযে আইন?
.
হুজুর:কি বল তুমি উমাইয়ের?তোমাকে না বলেছি এইসব খারেজিদের বক্তব্য না শুনার জন্য।সবার বয়ান শুনিও না।
.
আমি:আচ্ছা আর শুনব না।হুজুর প্রশ্নের উত্তরটা যদি পেতাম।
.
হুজুর:উমাইয়ের একটা কথা শুন!ইসলাম মানেই শান্তি।এখানে মারামারি এগুলার দরকার নাই।মানুষকে শান্তির কথা বলাই আমাদের কাজ।আমাদের নবীজিও রহমতের নবী।মারামারি করলে কাফেররা ইসলামকে অপছন্দ করবে।জিহাদ ফরয ছিল ততকালীন সময়ে এখন নাই।ইসলাম শান্তির ধরম।
.
আমি:তাহলে আল্লাহতায়ালা কুরানের তিন জায়গায় বলেছেন,"হুওয়াল্লাজী আরসালা রসূলাহু বিল হুদা ওয়া দ্বীনিল হ্বাককি লিউযহিরহু আলাদ দ্বীনি কুল্লিহি"।

যার অরথ হচ্ছে "তিনিই আল্লাহ! যিনি তার রাসুলকে প্রেরন করেছেন হেদায়েত ও সত্য দ্বীনসহ যাতে করে অন্য সকল দ্বীনের উপর ইসলামকে বিজয় করা যায়। যদিও কাফেররা তা অপছন্দ করে।"

এখন এই আয়াতকে আপনি কি বলবেন?
.
হুজুর:উমাইয়ের!তুমি নতুন ইসলাম গ্রহন করেছ মাত্র ২.৫ বছর চলে। তুমি ইসলামে এখনো শিশু।ভাল করে আরবী পরতে পারনা।আর তুমি এই আয়াতের তাফসীর কি বুঝবে?তুমি বেশি বেশি পড়।পড়ে একদিন কথা হবে ইনশাল্লাহ। আর সবার বয়ান শুনিও না।
.
আমি:আমার প্রশ্নের উত্তর মনেরমত করে পেলাম না কিন্তু.........
.
.
.

রাসুল(সা:) থেকে শুরু করে মাত্র ১০০ হিজরির মধ্যে বিজীত অরধ বিশ্বের যে অংশ যেদিন থেকে কুরান-সুন্নাহর শাসন ব্যবস্থা হতে মানবরচিত শাসন ব্যবস্থার অধীনে চলে গেছে বা কাফের,ত্বাগুতদের দখলদারিত্বে চলে গেছে সেই দিন থেকে সেই সব ভু-খন্ড পুনরায় ইসলামি শাসনাধীনে না আসা পর্যন্ত যুদ্ধ জিহাদ ফরযে আইন হয়ে আছে।

সুতরাং, ১০০ হিজরীর মধ্যে তারেক বিন যিয়াদ দ্বারা বিজীত স্পেন ইংরেজী ১৯৪২ সন মোতাবেক যেদিন থেকে খ্রিস্টানদের হাতে পতন ঘটেছে সেদিন থেকেই পূন:রুদ্ধারের পূরব পর্যন্ত জিহাদ ফরযে আইন হয়েই আছে।

হিজরী ৯০ এর দশকে কুতায়বা বিন মুসলিম দ্বারা চীন পর্যন্ত বিজীত অঞ্চল সমুহ যেদিন থেকে যার শাসকগনেরা ও কমিউনিস্টরারা দখল করে নিয়েছে সেদিন থেকেই সে সব অংশ পূন:রুদ্ধারের পূরব পর্যন্ত জিহাদ ফরযে আইন হয়েই আছে।

হিজরী ৯০ এর দশকে মুহাম্মদ বিন কাশিম দ্বারা বিজীত সিন্ধু,দেবলসহ ভারতবরষের দখলল করা অঞ্চলসমুহ এবং ১২০৪ ইং সালে ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজির হাতে বিজীত বংগ প্রদেশসহ বিজীত অঞ্চল সমুহ ১৭৫৭ ইং সাল হতে পর্যায়ক্রমে যেদিন থেকে যেই অংশ আগ্রাসনবাদী ইংরেজদের হস্তগত হয়েছে সেসব ওঞ্চল পুনরায় ইসলামি শাসনাধীন না আসা পর্যন্ত জিহাদ ফরযে আইন হয়ে আছে।

এক কথায়,দুনিয়ার যেই সব অংশে কোন না কোন সময় ইসলামি শাসন ব্যবস্থা প্রতিস্টিত ছিল সেসব অঞ্চলের যে অংশ যেদিন থেকে মানবরচিত ত্বাগুতি শাসনাধীনে গিয়েছে সেইদিন থেকে তা পুন:রুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত জিহাদ ফরযে আইন হয়ে আছে।

আল্লাহর কুরানের একটি আহবান দিয়েই শেষ করছি,
"তাদের বিরুদ্ধে লড়াই কর যতক্ষন না ফিতনার অবসান হই এবং দ্বীন পূর্নরুপে আল্লাহর জন্য হয়ে যায়।"
সূরা আনফাল-৩৯ নং আয়াত।
.

বই:
মাগাজী বিষয়ক ভ্রান্তি ও নিরসন।(পারট:১)
পাতা:২৩

তাওবাঃ শয়তানের যম

কোন মন্তব্য নেই:

****তাওবাঃ শয়তানের যম****

.

এক লোক রাস্তা দিয়ে চলছেন। হঠাৎ অসাবধানতায় নর্দমায় পা টা পড়ে গেল। শরীর এবং কাপড়ে দুটোতেই বিশ্রি ও দুর্গন্ধময় নাপাকি লেগে গেল। অপর একজন সদ্য প্রাকৃতিক কর্ম সম্পাদন করলেন, শারঈ ইস্তেঞ্জা এখনও করেননি। তার শরীরে নাজাসাত বিদ্যমান। আরেক ব্যক্তি স্ত্রীর সাথে অন্তরঙ্গতা থেকে সদ্য মুক্ত হলেন, ফারয গোসল করা এখনও বাকি। বাহ্যিকভাবে তার দেহে নাপাকি না থাকা সত্ত্বেও তার মাঝে এক ধরনের অবস্তুগত অপবিত্রতা বিরাজ করছে।

.

তিনটি ক্ষেত্রে ঘটনাপ্রবাহ কিছুটা ভিন্ন ভিন্ন হলেও এগুলোর প্রতিটির সমাধান একই ধাচের। প্রথম ব্যক্তি যত দ্রুত সম্ভব তার গা থেকে নাপাকি সাফ করে ধুয়ে ফেলবেন, সম্ভব হলে সাবান ব্যবহার করবেন ও পূর্ন গোসল করবেন। দ্বিতীয় ব্যক্তি যত দ্রুত সম্ভব শরীয়াতের দেখানো নিয়মে পূর্ন ইস্তেঞ্জা করবেন। তৃতীয় ব্যক্তিও যত দ্রুত সম্ভব ফারয গোসল করে নিবেন। লক্ষ্য করুন, তিনটি ক্ষেত্রেই শরীয়াতের বিধানে একটা জিনিস কমন; তা হল ‘যত দ্রুত সম্ভব’ এই কাজ গুলো করার তাকীদ যেমন শরীয়াতও দেয় তেমনি ইনসানের ফিতরাতও এর অনুকূলেই সায় দেয়।

.

ধরুন কেউ কাবীরাহ করে ফেলেছেন। বড় ধরনের কোন গুনাহ, বড় নাফরমানী হয়ে গেছে। শয়তানের ধোকায় বা নফসে আম্মারার প্ররোচনায় তিনি আল্লাহর নির্ধারিত সীমাকে লংঘন করেছেন। কনক্রিট নাপাকি যেমন মানুষের শরীরে লেগে যায় তেমনি এবস্ট্রাক্ট নাপাকি তার ক্বলবে লেগে গেছে। এক্ষেত্রে শরীয়াত তার কাছে কি চায়? তার উপর হুকুম কি? সোজা হিসাব, আমরা সবাই ই জানি। তাকে খাস দিলে তওবা করতে হবে; দোষ স্বীকার করতে হবে, শরমিন্দা হতে হবে, মাফ চাইতে হবে, আর না করার সঙ্কল্প করতে হবে। তবে বাহ্যিক নাপাকিতে যেমন শরীয়াতের বিধানের পাশাপাশি ফিতরাতও সেই নাপাকি ধুয়ে ফেলে সাফ হতে বলে, এই ক্ষেত্রে ফিতরাতের অতটা প্রচন্ডতা অনুভূত হয় না।

.

কেন হয় না? কারন এই নাপাকিকে আমরা নাপাকিই মনে করি না। এই নাপাকিতে গায়ে গন্ধ হয় না, কাপড় ময়লা হয় না। তবে ক্বলবে দাগ পড়ে, দূষিত হয় এমন গোশত পিন্ড যার দ্বারা সমস্ত দেহই দূষনের শিকার হয়। এই দূষন, এই কালিমা মানুষ দেখে না তাই আমরা একে নিয়ে অত ব্যতিব্যস্ত হই না। তবে এই নাপাকি দেখেন রব্বুল আলামীন। আর এই নাপাকি তার কাছে বড্ড অপছন্দনীয়, বড্ড পূতি দুর্গন্ধময়। তিনি যেন বলতে থাকেন- বান্দা, তোকে তো আমি সাফ হবার পদ্ধতি শিখিয়ে দিয়েছিলাম; তাও বিনা পয়সায়। কেন পবিত্র হলি না?

.

দেখুন, যে জিনিস নাপাক না তা থেকে মুক্তি পাবার জন্য কত রকম ঝঞ্ঝা করি আমরা। সাদা কাপড়ে সামান্য কালি বা ঝোলের দাগ লেগেছে, আমাদের মাথা খারাপ হয়ে যায় তা তোলার জন্যে। দামী দামী ডিটারজেন্ট ব্যবহার করে দাগ না তুলে ক্ষান্ত দেই না। শরীরে ঘামের গন্ধ হয়েছে, বোতলের পর বোতল ডিওডরেন্ট আর আতর ঢেলেও শান্ত হতে পারি না। ঘরের কোথাও ধুলা জমেছে বা পাক মাটির কাদা লেগেছে, ক্লিনার দিয়ে না ধুয়ে আরাম পাই না। অথচ ক্বলবের নাপাকি এমন ভয়াবহ যে ইয়ামুল ক্বিয়ামাহতে আমার নিজের অংগ প্রত্যংগ ই সাক্ষ্য দিয়ে আমাকে সমস্ত মানব-দানবের সামনে বেইজ্জত করে ছাড়বে। আমার রব্ব সেদিন এই নাপাকির কারনে মুখ ফিরিয়ে নিবেন। আমার রাসূল সেদিন এই নাপাকির কারনে বলবেন- সরে যাও, আমি তোমার সুপারিশের ব্যাপারে অনুমতি পাই নাই।

.

গুনাহ আমাদের হবেই, এটাই আমাদের ইনসান হবার দলিল। এমনকি নবীর উম্মাত ও আল্লাহর ভালবাসার পাত্র হবার দলিলও এটাই; কারন আমাদের গুনাহ মাফের গ্যারান্টি আছে। হ্যা, যত বড় গুনাহই হোক না কেন। শরীরে নাপাকি লাগলে যেমন তা না ধুয়ে এক সেকেন্ডও শান্ত থাকতে পারি না, দ্বীনের দাবি তো ছিল গুনাহ হয়ে গেলেও তেমনি এক মুহুর্তের জন্যেও দেরি না করে সাথে সাথে তাওবায় লেগে যাওয়া। বাহ্যিক নাপাকি ধোয়ার জন্যে উত্তম উপায় যদি হয় পানি, তবে অন্তরের নাপাকি ধোয়ার জন্যে তাওবা এর চেয়েও বেশি শক্তিশালী। সাবান-পানি এগুলোর জন্যে টাকা খরচ করা লাগে, আর আমার রব্ব তো তাওবার সুযোগ বিনামূল্যে দিয়ে একে অমূল্য রতনে পরিনত করেছেন।

.

এজন্যে শরীয়াতের দাবি হল গুনাহ হয়ে গেলে অন্য কোন কিছুর আগে অতি দ্রুত তাওবা করে নেয়া, যতটা দ্রুত করা যায় তত ভাল। অপরাপর আমল তার নিজ নিজ জায়গায় থাকবে। কিন্ত গুনাহর পর তাওবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। তাওবা করলে আল্লাহ যেমন গুনাহ গুলো মাফ করেন, তেমনি পরবর্তীতেও তাকে তাওবার তাউফিক দেন। ফলে বান্দার সাথে আল্লাহর সম্পর্ক মজবুত হয়।

.

পাশাপাশি শয়তান তাওবাকে বড্ড ঘৃনা করে। শয়তান বান্দাকে গুনাহর পর হতাশ করতে চায়। আল্লাহর সাথে তার দূরত্ব সৃষ্টি করতে চায়। এক পর্যায়ে বান্দা যখন আল্লাহর রহমতের ব্যাপারে নিরাশ হয়ে পরে তখনই শয়তান সফল। কারন এভাবে সে বান্দাকে দিয়ে আল্লাহর ওয়াদাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করাতে পারে। বান্দার সাথে আল্লাহর কৃত ওয়াদা ‘আমার রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না’ কে বান্দা তখন শয়তানের ধোকায় পরে নিজের ব্যাপারে অকার্যকর ভাবতে থাকে। অথচ আল্লাহই বলেছেন- বান্দা রাত দিন গুনাহ করে, মেঘ পর্যন্ত গুনাহর স্তর জমিয়ে ফেলে কিন্তু আমি ঠিকই করি।

.

সাইয়্যিদিনা উমার ইবনুল খাত্তাব এবং আমীরে মুআবিয়া রাযিয়াল্লাহু আনহুম কে শয়তান এসে ফজরের সালাতের জন্যে জাগিয়ে দিত। শয়তানকে যখন উমার(রা) জিজ্ঞেস করলেন যে এটা তো তোমার কাজ না, তোমার কাজ তো ছিল আমাকে ঘুম পাড়িয়ে রাখা। শয়তান উত্তরে বলেছিল যে, আপনি যদি ফজরের জামাত ধরতে না পারেন তবে সারাদিন যে পরিমান তাওবা করবেন তার চেয়ে আমার কাছে এটাই উত্তম।

.

আল্লামা ইবনু জাওযী(রহ) কে জিজ্ঞেস করা হল, গুনাহগারের জন্য তাওবা বেশি ফলপ্রদ নাকি যিকির-আযকার। তিনি উত্তরে বললেন, একটা ময়লা জামার জন্যে সাবান বেশি দরকারী না আতর? ইমাম ইবন তায়মিয়া বলতেন- তাওহীদ যেমন সকল কল্যানের দরজা খুলে তেমনি তাওবা সকল পাপের দরজা বন্ধ করে। সালাফগন বহু নেক আমল করার পরও তাওবা জারি রাখতেন, কখনই তাওবা না করে শান্তি পেতেন না। সাইদ ইবন মুসাইয়েব, হাসান বাসরী, সুফিয়ান সাওরী, ইমাম শাফিঈ, আবু হানিফা, ইবনুল মুবারাক প্রমুখ মনীষীর তাওবার ঘটনা শুনলে রীতিমত প্রকম্পিত হতে হয়। আর সাহাবাগনের কথা বলাই বাহুল্য। এমনকি যে নবীর পূর্বের পরে সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়েছিল তিনিও প্রত্যহ সত্তর বারের অধিক তাওবা করতেন আর বলতেন- আমি কি একজন কৃতজ্ঞ বান্দা হবো না?

.

তাওবার দুয়া গুলো আমরা সর্বদা মুখস্থ রাখি। অপরাপর সকল ইবাদাতের মত তাওবার জন্যেও বিশুদ্ধ অন্তঃকরনের পাশাপাশি সুন্নাহর তরীকাও খুব জরুরী। সর্বাবস্থায় ইস্তেগফার জারি রাখি। প্রতি গুনাহর জন্যে বেশি বেশি করে ইস্তেগফার পাঠ করি। সর্বোপরি না জানা গুনাহগুলোর জন্যে সাধারন ভাবে তাওবা করি। আল্লাহর কাছে শহীদের রক্ত আর তাওবাকারীর অশ্রু খুবই মূল্যবান দুটি বস্ত। আল্লাহ আমাদের সবাইকে মাকবুল তাওবা নাসীব করেন, আমীন।

 
back to top