বরতমান সারা বিশ্বে মুসলিমদের উপর আপতিত গোলামীর জিঞ্জির, অপমান, অপদস্থতা, ঈমান, আমল, সম্মান,সম্ভ্রম, সম্পদ বিনষ্টের অন্যতম কারন জিহাদ ছেড়ে দেয়া।
.
ইতিহাসের এক একটি অধ্যায় অধ্যয়ন করে দেখুন।
.
দেখুন বাগদাদের উথান এবং পতনের ইতিহাস,
.
বুখারা সমরকন্দ এর উথান ও পতনের ইতিহাস,
.
স্পেনের বিজয় এবং পতনের ইতিহাস,
.
হিন্দুস্থানের বিজয় ও পতনের ইতিহাস ইত্যাদি।
.
প্রত্যেকটি বিজয়ের ইতিহাসে পাবেন মুসলমানদের অমর গাথা শৈরয-বীরযের আমল আখলাকের,
দৃষ্টি আকর্ষণ সৃষ্টিকারী আখলাক ও নৈতিক চরিত্রের অনুপম সন্নিবেশ।
.
পক্ষান্তরে প্রত্যকটি পরাজয়ের ইতিহাসে পাবেন,জিহাদ- বিমুখতা,ধন-সম্পদ,আরাম-আয়েশ,বেশ-ভূষন নিয়ে মত্ত এক শৈরয বীর্যহীন ভংগুর মুসলিম জাতি।
.
একসময় যে সব কাফির মুশরিকরা নত হয়ে ইসলামি ইমারাহ/খিলাফাকে জিযিয়া কর প্রদান করতো,এখন সেই সব কাফির-মুশরিকরাই উল্টা মুসলিমদের থেকে কর আদায় করছে।
.
এক সময় যে কাফির-মুশরিক গোষ্টীরা অপমানিত ও অসম্মানী লোকেরা মত রাস্তার সাইড দিয়ে চলতো আর মুসলমানরা স্বগরবে রাস্তার মাঝখান দিয়ে চলতো।
.
এখন হয়েছে তার উল্টা।এমনকি মুসলমানেরা নামতে নামতে বরতমানে তাদের সেবাদাসে পরিনত হয়েছে।
.
তারা এখন তাদের শক্তির দাপটে মুসলমানদের তেল,গ্যাস,স্বরন,কয়লা ইত্যাদি দামি খনিজ পদার্থ লুটে নিচ্ছে।
.
লুটে নিচ্ছে দ্বীন, ধরম,সম্পদ, সম্মান,সম্ভ্রম।দ্বীন ধরম পালনেও তাদের সিলেবাসের অনুসরন করতে বাধ্য করেছে।
.
তারা ইসলাম বিরোধী আইন/বিধান তৈরি করে তা মানতে মুসলমানদেরকে বাধ্য করছে।
.
এসবের মূল কারন জিহাদ ছেড়ে দেওয়া, অস্ত্র ছেড়ে দেওয়া।
.
.
.
#বই:মাগাজী বিষয়ক ভ্রান্তি ও নিরসন(২য় খন্ড)।
লেখক:মাওলানা আবুল কালাম আজাদ।
পৃষ্টা নং:৮৩-৮৪।
মঙ্গলবার, ৩১ মে, ২০১৬
আসসালামু আলাইকুম। প্লিয একবার পড়ুন শুধু।
আসসালামু আলাইকুম।
প্লিয একবার পড়ুন শুধু।
আর বেশি বেশি কপি পেস্ট ও শেয়ার করুন ভাইয়েরা আমার।
এক দরবারি আলেম:আসসালামু আলাইকুম ভাই উমাইয়ের। কেমন আছ তুমি?
.
আমি:ওয়ালাইকুম আসসালাম। জি আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ ভাল রেখেছেন। আপনি কেমন আছেন ভাই?
.
আলেম:ভাল।তোমার সাথে কিছু কথা ছিল উমাইয়ের।
.
আমি:জি বলুন ভাই।
.
আলেম:তুমি নাকি ইদানিং বাংলাদেশ সরকারকে মুরতাদ,কাফের ফতোয়া দিচ্ছ?তুমি নাকি এগুলা জসীমুদ্দিন রহমানি নামের এক আলেমের ওয়াজ থেকে শুনে শুনে মানুষকে বলে বেড়াও।
.
আমি:জি ভাই।
.
আলেম:উমাইয়ের।যেসব শাসক মুসলিম এবং সালাত কায়েম করে, তাহাজ্জুত পড়ে,হ্বজে যায়, কুরান তেলোয়াত করে, রোজা রাখে ঈদ পালন করে,জুমাহ পড়ে,আমাদের জবাই করা গোশত খায় এবং লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পাঠ করে তুমি ২ দিনের বাচ্চা উমাইয়ের তাদেরকে কিভাবে কাফের মুরতাদ ফতোয়া দাও আমাকে বুঝিয়ে বল?
নাকি তোমার জসীমুদ্দিন যাই বলে তুমি তার প্রচার কর?
.
উমাইয়ের :আমি ইসলামেই নতুন।আর আপনারা অনেক বড় আলেম।আপনাকে বুঝানোর ক্ষমতা আমার নাই(ইনশাল্লাহ)।
তারপরও দ্বীনের স্বার্থ নিয়ে বলছি এই সব সরকার যারা সারা বিশ্বে নামধারি মুসলিম শাসক তারা কেন কাফের-মুরতাদ????????
.
প্রথমে হেডলাইন বলি:
১.এইসব মুসলিম নামধারি শাসকরা আল্লাহর বিধান বাদ দিয়ে মানবরচিত বিধান দ্বারা রাস্ট্র পরিচালনা করে।
.
২.এইসব মুসলিম নামধারী শাসকরা আল্লাহর হারাম বিধানকে লাইসেন্স দিয়ে হালাল করে দেয়।
.
যেমন:
.
*আল্লাহ মদ হারাম করেছেন আর এই
শাসকগুলো মদের লাইসেন্স দিচ্ছে, মদ
বিক্রির অনুমতি দিচ্ছে।
.
*আল্লাহ জ্বিনা হারাম করেছেন আর
এরা পতিতাবৃত্তির জন্য লাইসেন্স
দিচ্ছে।
.
*আল্লাহ সুদকে হারাম করেছেন, সুদের
বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন আর এরা
সুদের ভিত্তিতে পুরো অর্থনীতি
পরিচালনা করছে। সুদের ভিত্তিতে
ব্যাংক পরিচালনার লাইসেন্স দিচ্ছে।
.
৩.এইসব মুসলিম নামধারী শাসকরা দ্বীন ইসলামের পরিবরতে দ্বীনে বাতিলকে দ্বীন হিসেবে গ্রহন করেছে।
.
৪.এইসব নামধারী মুসলিম শাসকরা জাহেলিয়াতকে প্রতিস্থাপনকারী।
.
৫.এইসব নামধারী মুসলিম রাস্ট্রগুলো নামে মুসলিম শাসিত আসলে এসব রাস্ট্র দারুল কুফর।
.
৬.এইসব নামধারী মুসলিম শাসকরা মুসলিমদের ভূমি দখলকারী আগ্রাসী শত্রু।
.
৭.এইসব মুসলিম নামধারী মুসলিম দেশের সৈনিকেরা ত্বাগুতের সৈনিক।
.
৮. এইসব মুসলিম নামধারী মুসলিম দেশের শাসকেরা মানবরচিত কুফরী আইনকে বলছে
‘যুগ উপযোগী আইন’ আর ইসলামী
শরীয়াতকে বলছে ‘মধ্যযুগীয় শাসন’।
.
৯.এইসব মুসলিম নামধারী মুসলিম দেশের শাসকেরা পর্দা, দাঁড়ি, টুপিসহ পুরো দ্বীন
ইসলামকে নিয়ে প্রতিনিয়ত হাসি-তামাশা করছে।
.
১০.এইসব মুসলিম নামধারী মুসলিম দেশের নাস্তিক-মুর্তাদ সাহিত্যিক,বুদ্ধিজীবি, ব্লগারদেরকে ‘বাক-স্বাধীনতার’ নামে আল্লাহ, তাঁর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও
দ্বীন ইসলাম সম্পর্কে যা ইচ্ছা বলার
সুযোগ দিচ্ছে।এদেরকে রক্ষা করে এদের
কুফরীতে সাহায্য করছে।
.
১১.এইসব মুসলিম নামধারী মুসলিম দেশের শাসকরা যুদ্ধরত কাফিরদেরকে সমুদ্রপথ,
আকাশ সীমা, বিমান বন্দর ইত্যাদি
ব্যবহার করতে দিয়ে, গোয়েন্দাবৃত্তি করে
মুসলমান-মুজাহিদীনদের বিরুদ্ধে
কাফেরদেরকে সাহায্য করছে।
(২০০১ সালে আগ্রাসী আমেরিকাকে
আফগানিস্তানের মুজাহিদীনদের বিরুদ্ধে
এদেশের আকাশ-সীমা ব্যবহারের সুযোগ
দেয়া হয়েছে)
.
১১.এইসব মুসলিম নামধারী মুসলিম দেশের শাসকরা সংসদ ভবনে কোরআন-সুন্নাহ
বিরোধী নিত্য নতুন কুফরী আইন প্রণয়ণ
করছে।
.
১২.এইসব মুসলিম নামধারী মুসলিম দেশের শাসকরা মহিলাদের হিজাব করতে বাধ্য
করা যাবে না – এ আইন পাশ করেছে।
.
১৩.এইসব মুসলিম নামধারী মুসলিম দেশের শাসকরা সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হিসেবে নারী ও পুরুষদের সমান গণ্য করতে চাপ দিচ্ছে।
.
১৪.এইসব মুসলিম নামধারী মুসলিম দেশের শাসকেরা যে কোন ইসলামী বইকে বলছে ‘জংগী বই’।
.
১৫.এইসব মুসলিম নামধারী মুসলিম দেশের শাসকেরা ইসলামের গুরুত্বপূর্ন ফরজ বিধান
জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহকে ‘সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ’ বলে নিষিদ্ধ করে জিহাদের বিরোধিতা করছে।
.
১৬.এইসব মুসলিম নামধারী মুসলিম দেশের শাসকেরা মুরতাদের শাস্তি হত্যাকে তাদের কুফরী মতবাদ ধর্মনিরপেক্ষতার পরিপন্থী বলে এর বিপরীতে অবস্থান গ্রহন করেছে।
.
১৭.এইসব মুসলিম নামধারী মুসলিম দেশের শাসকেরা আল্লাহ তায়ালা কর্তৃক নির্ধারিত
হুদূদ এর বিধানকে নিজেদের উদ্ভাবিত
আইন-বিধান দ্বারা পরিবর্তন করে
দিয়েছে। এর মাধ্যমে যেন আল্লাহ তায়ালার চেয়ে অধিক উপযোগী আইন-বিধান দাতা হিসেবে নিজেদেরকে তারা জাহির করতে চাচ্ছে।
.
১৮.আল্লাহর নিষেধ থাকা সত্তেও এইসব মুসলিম নামধারী মুসলিম দেশের শাসকরা কুফফারদেরকে নিজেদের বন্ধুরুপে গ্রহন করেছে।সারা বিশ্বে আজ মুসলিমরা নির্যাতিত কিন্তু এইসব মুসলিম নামধারী মুসলিম দেশের শাসকরা আজ আনন্দে দিন কাটাচ্ছে আর কুফফার বন্ধুদের সাথে হাসি-তামাশা করছে।
.
এভাবে তারা আরো অনেক সুস্পষ্ট কুফরী
(কুফরুন বাওয়াহ) প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছে।
.
আলেম:উমাইয়ের।আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ তোমার উসিলায় আমার চক্ষু খুলে দিয়েছেন। আজ থেকে আমিও তোমার সাথে আছি।আল্লাহর জমিনে আল্লাহর কালিমা বুলিন্দ করার কাজে তুমি আমাকেও সংগে পাবে ইনশাল্লাহ। আর তোমার জন্য দোয়া করি।
.
আমি:সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য যিনিই একমাত্র আমার মালিক।
.
.
.
বই:
মাগাজী বিষয়ক ভ্রান্তি ও নিরসন।
অধ্যায়:দ্বিতীয়।
পাতা নং:৩০-৪০।
কিছু আলেম আছে যারা মূরতি পুজা করাকে শিরক বলে অভিহিত করে, অথচ আল্লাহদ্রোহী ত্বাগুতি শক্তির শাসন মান্য করাকে শিরক বলে আখ্যায়িত করেনা।
কিছু আলেম আছে যারা মূরতি পুজা করাকে শিরক বলে অভিহিত করে,
অথচ আল্লাহদ্রোহী ত্বাগুতি শক্তির শাসন মান্য করাকে শিরক বলে আখ্যায়িত করেনা।
.
মূরতি পুজারীকে মোশরেক মনে করে কিন্তু ত্বাগুতি শক্তি তথা মানবরচিত আইনের অনুসারীদের মোশরেক মনে করেনা।
.
তারা আসলে কুরান অধ্যয়ন করেনা এবং ইসলামকে চিনেনা।
রাসুল(সা:) এর ঘটনা বহুল রাজনৈতিক জীবনকে পর্যবেক্ষণ করেনা।তাদের উচিত যেভাবে আল্লাহতায়ালা কুরান নাযিল করেছেন, সেইভাবেই তা পড়া।
.
.
.
#বই : আহবান(পিডিএফ)
পাতা নং:১০২।
মূদ্রার ওপিঠ
মূদ্রার ওপিঠ
.
.
.
- তোমার নাম?
.
- উম্মে রুমান।
.
- উম্মে রুমান কে ছিলেন জানো?
.
- জ্বী না।
.
- উনি ছিলেন উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুর স্ত্রী।
.
- (হাসি)
.
- উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু কে ছিলেন জানো?
.
- জ্বী না।
.
- উনি ছিলেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবী।
.
- (হাসি)
.
- সাহাবী কাদের বলে জানো?
.
- জ্বী না।
.
- যারা সাসুল সাঃ এর সঙ্গী ছিলেন তাদের বলে সাহাবা বা সাহাবী।
.
- (হাসি)
.
- রাসুল কাদের বলে জানো?
.
- জ্বী না।
.
- আমাদের রাসুল কে ছিলেন জানো?
.
- হযরত মোহাম্মদ সাঃ।
.
- (এবার আমার হাসি)।
এটাও না পারলে খুব রাগ করতাম।
মেয়েটার বয়স ১৪। মেয়েটির কোন দোষ আমি দেইনা। শিশু মনে তাইতো সে জানবে যা তার বাবা- মা জানাবে। আমাদের সমাজে একটা ভয়াবহ মিথ্যার খুব প্রচলন আছে যে, শেষ বিচারের দিন যখন কোনভাবেই একজন মুসলিমকে জান্নাতের উপযুক্ত পাওয়া যাচ্ছে না, তখন সুন্দর নামের উসিলায় আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে জান্নাতে দিয়ে দেবেন।
এজন্য আজ আমাদের নামের অর্থ বা উতস সবই অসাধারন তবে কর্মক্ষেত্রে এর সাথে দূরতম সম্পর্কও নেই। এমন একটা সময় ছিলো যখন রব, নবী, রাসুল, সাহাবা, দ্বীন, খুলাফায়ে রাশিদা ইত্যাদি বেসিক ইসলামী টার্মস কোন মুসলিম সন্তান জানবে না, তা ভাবাটা অকল্পনীয় ছিলো।
এখন যেন তা জানানোটাই বাচ্চার সময় নষ্ট করার মতো হয়ে দাড়িয়েছে। ফেসবুকে দেখলাম জিপিএ ৫ পাওয়া ছাত্ররা কেনো অপারেশন সার্চ লাইট, স্মৃতিসৌধ কোথায়, জিপিএ মানে কি তা না জানার জন্য হাহাকার পড়ে গেছে।
কিন্তু যখন আমরা আল্লাহর সামনে দাড়াবো তখন জিপিএ মানে কিংবা নিউটনের তত্ব কি তা না জানার জন্য আমার কি কোন শাস্তি হবে, কিংবা তাতে কি কিছু যায়-আসবে? অবশ্যই না।
কিন্তু যদি আমার সন্তান মহান রবের সামনে এমন অবস্থায় দন্ডায়মান হয় যখন সে জানে না রব মানে কি বা রাসুল মানেই বা কি তখন কি হবে আমাদের বা আমাদের সন্তানদের?
তারা কি আমার আপনার দিকে আঙ্গুল তুলবে না তখন? সেই আঙ্গুল তোলার পরিণাম আল্লাহ নিজেই বলেছেন খুব খারাপ হবে।
ভেবে দেখুন মুসলিম ব্রাদার্স এন্ড সিস্টার্স। কার হাতে ভাবার কতটুকু সময় আছে তা কে বলতে পারে?
.
কালেক্টেড
খোলা চিঠি.........
খোলা চিঠি.........
.
বার্মা থেকে >
ওহে মুসলিম ভায়েরা আমার!
আশা করি আপনারা ভালো আছেন।
কিন্তু আমরা ভালো নেই।
আমাদের কোন নিরাপত্তা নেই।
আমাদের অনেকের থাকার মত কোন স্থানও নেই।
আমাদের কোন মান,সম্মান নেই এখানে।
.
ভাইরা আমার!
আজ আমাদের পুরুষদেরকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হচ্ছে,তাদেরকে জিবিত পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে, তাদের চামড়া ছিলে ফেলা হচ্ছে, তাদের গোস্ত কাটা হচ্ছে গরুর গোস্ত কারার মত করে।কাউকে কুড়াল দ্বারা মাথায় আঘাত করে শহিদ করা হচ্ছে। কাউকে উলঙ্গ করো নির্যাতন করা হচ্ছে।
আমাদের শিশুদেরকে ওরা আছড় দিয়ে মারছে। বুকের উপর পা দিয়ে মারছে।
আমাদের বোনদের সাথে ওরা পশুর মত মত ব্যবহার করছে।.........(আমি লিখতে পারবো না).............................।
তাদের জবাই করে রক্ত পাত্রে রেখে দেখতেছে। তাদের বিভিন্ন অঙ্গ কেটে অঙ্গহানি করা হচ্ছে। আর তোমরা তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছো?
এটা কি তোমাদের বিশ্বকাপের খেলা? তাকিয়ে দেখেই যাচ্ছো?
আমরা কি অপরাধ করেছি?
তোমাদের কি বাবেক নেই?
তোমরা কি নিষ্ঠুর?
আজ তোমরা আমাদের বাচাতে কেন এগিয়ে আসছো না?
কেন তোমরা চুপ করে বসে আছো?
কেন জালিমদের থেকে আমাদের রক্ষা করছো না?
কেন তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করছো না? আজ যদি তোমাদের ভাই,বোনদের সাথে এমন করা হত,তবে পারতে?
পারতে কি বসে থাকতে?
না, কখনই না।
তোমারা আমাদের সাহায্য কি করেছো?
আমাদের ভাই,বোনেরা তোমাদের কাছে আশ্রয় পাওয়ার জন্য বুকভরা আশা নিয়ে নদি পার হয়ে তোমাদের কাছে একটু আশ্রয় চেয়ছিল। কিন্তু তোমরা?
হুহ্...................
তোমরা কি ব্যবহার করেছিলো তাদের সাথে?
এই কি তোমাদের ভালবাসা?
এই কি তোমাদের পরিচয়?
এই কি মুসলমানিত্ব?
বাহ্ কি দারুন!
কি দারুন তোমাদের ব্যবহার !
এখনও আমরা নির্যাতিত।
আমরা দিক বিভ্রান্ত শুধু নিরাপত্তা ও শান্তির আশায়।
আমরা এখন খালিদ বিন ওয়ালিদ,তারেক বিন জিয়াদ,ইউসুফ বিন তাসফিন,মুহাম্মাদ বিন কাশিম,মাহমুদ গজনবী-এদের মত বীর সেনাপতির পানে চেয়ে আছি...................
.
.
.
.
ফিলিস্থিন থেকে >
ওহে মুসলিম ভাইরা আমার!
আমাদের উপর কামানের গোলা নিক্ষেপ করা হচ্ছে। আমাদের উপর বোমা মারা হচ্ছে। আমাদের উপর ক্ষেপনাস্ত্র নিক্ষেপ করা হচ্ছে। আমাদেন মাঝে বিষাক্ত গ্যাস ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। তোমরা কি কাপুরুষ হয়ে গেছো?
নাকি তোমরাও তাগুতের সাথে হাত মিলিয়েছো?
মুসলিম শাসকবৃন্দরা কোথায়?
তারা আমাদের সাহায্যে এগিয়ে আসে না কেন?
মুসলাম সেনাপতিরা কোথায়?
তারা আমাদের কথা ভাবছে না কেন?
তারা.................
.
.
.
.
কাশ্মীর থেকে >
ওহে মুসলিম ভাইরা আমার!
আমাদের হাজার হাজার পুরুষ,
শিশুদেকে ওরা হত্যা করেছে। আমাদের শত শত নারীদেরকে তারা ধ....করেছে। আমাদের রক্ত নিয়ে তারা ছিনিমিনি খেলছে।
আর তোমরা ক্রিড়া, কৌতুক নিয়ে ব্যস্ত?
আমাদের জন্য কি তোমাদের কিছুই করার নেই?
কাল কিয়ামতে দির তোমরা আল্লাহর সামনে কি জবাব দিবে?
তোমরা দায়ি নও??........
.
.
.
.
ইরাক থেকে >
ওহে মুসলিম ভাইরা আমার!
আমাদেরকে সন্ত্রাস বলে, আমাদেরকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে, আমাদেরকে অপমানিত করে হত্যাকান্ড চালানো হচ্ছে।
শক্তিশালী মুসলিম রাষ্টগুলো কোথায়?
তারা কেন আমাদেন সাহয্য করছে না?
তারা কেন তাগুতের সাথে হাত মিলিয়েছে? তারা কেন তাদের ভাই,বোনদেরকে কাফির,মুশরিকদের হাতে তুলে দিয়েছে? ক্ষমতা কি তাদের পাথর বানিয়ে দিয়েছে? ক্ষমতা তাতের থেকে কি মমতা দুর করে দিয়েছে?
আমরা কি পাবো না তাদের থেকে কোন ভরসা?........
.
.
.
.
সিরিয়া থেকে >
হে মুসলিম ভাইরা!
আমাদের বিদ্রোহ করে আমাদের চরমভাবে অত্যাচার করা হচ্ছে।
নিরিহ মুসলমানদেরকে অকাতরে হত্যা করা হচ্ছে। আমাদের উপর নির্যাতনের স্টিম রুলার চালানো হচ্ছে। বোমা বিষ্ফোড়নে আমাদের কারোর হাত,কারোর পা,কারোর মাথা, কারোর দেহকে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছে। কিন্তু আমাদেরকে কোন মুসলিম রাষ্ট সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসঝে না।
এর চাইতে আর দুঃখ কি হতে পারে। তোমরা...........
#বর্তমান মুসলিম দেশগুলোতে মুরতাদ শাসকদের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা। ------শাইখ আনোয়ার আল-আওলাকি(রহ:)
#বর্তমান মুসলিম দেশগুলোতে মুরতাদ শাসকদের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা।
------শাইখ আনোয়ার আল-আওলাকি(রহ:)।
============================
বর্তমান বিশ্বের যেকোন দেশের সেনাবাহিনীর
একমাত্র উদ্দেশ্য হচ্ছে মুসলিমদের শত্রুদের স্বার্থ রক্ষা করা।
এটা হচ্ছে মুসলিম ইতিহাসের মধ্যে অত্যন্ত
জঘন্যতম একটি অধ্যায়!
.
এই সেনাবাহিনীর দ্বারা দুইটি উদ্দেশ্যকে
বাসত্মবায়ন করা হয়।
প্রথমতঃ দেশের রাজা অথবা প্রেসিডেন্ট এবং তার সহচরদেরকে রক্ষা করা,
দ্বিতীয়তঃ এই উম্মতের শত্রু অর্থাৎ ইহুদী এবং আগ্রাসী (আমেরিকার) শক্তির স্বার্থ রক্ষা করা।
.
এই সেনাবাহিনী ইসলামী শারীয়াহ্ ও খিলাফাহ পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রতিটি পথে বাধা দিচ্ছে। তারা মুসলিমদের পথে বাঁধা হয়ে দাড়িয়ে আছে,যারা জিহাদের মাধ্যমে দ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়।
.
এমন কি তারা ঐ সকল মুসলিমদেরকেও বাঁধা দিচ্ছে যারা শান্তিপূর্ণভাবে দ্বীন প্রতিষ্ঠা করতে চায়;যেমনটি অতীতে ঘটেছিল আলজিরিয়াতে।
অন্যকথায়, এই সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে কোন ইসলাম থাকবে না।
.
ইসলামিক শরীয়াহ্ অনুযায়ী কোন
ফারদ্ বাসত্মবায়নের জন্য যা কিছু করা দরকার তা পূরণ করাও ফারদ্।
ইসলামিক শরীয়াহ্ প্রতিষ্ঠা করা ফারদ্
এবং একইভাবে আল্লাহর পথে জিহাদ করাও ফারদ্।
.
সুতরাং যদি কোন সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা ছাড়া এই ফারদ্ আমল দুটি পালন করা সম্ভব না হয়,তাহলে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করাও তখন ফারদ্ হয়ে যায়।
.
এই সেনাবাহিনী মুসলিম দেশগুলোতে মুরতাদ শাসকদের (দ্বীনত্যাগী)-কে রক্ষা করছে। এরা ইসলামী শরীয়াহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে এবং যারা এই শরীয়াহ্-কে প্রতিষ্ঠিত করতে চায় তাদেরকে হত্যা করছে।
.
তারা আমেরিকার স্বার্থ রক্ষা করার জন্য
পাকিস্থান, সোমালিয়া এবং পশ্চিমা বিশ্বের
মুজাহিদীনদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে।
যদি সেনাবাহিনীর অবস্থা এই হয় তবে কেন এদের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত ঐ সকল মুজাহিদীনদেরকে দোষারোপ করা হচ্ছে
যে, ‘তারা মুসলিম বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে’?
.
এটা কোন্ ধরনের বিভ্রান্তকর যুক্তি?
দোষারোপ তো করা উচিত ঐ সকল সেনাবাহিনীদের প্রতি যারা সামান্য বেতনের বিনিময়ে স্বেচ্ছায় সোয়াতের মুসলিমদের হত্যা করছে,বোমা দিয়ে ধ্বংস করছে মসজিদগুলোকে যেমনটি তারা লাল মসজিদের সাথে করেছে এবং সোমালিয়াতে মহিলা ও শিশুদের নির্বিচারে হত্যা করছে।
ঐ সেনাবাহিনীরা নিষ্ঠুর পশুর মত!
যারা সামান্য ডলারের বিনিময়ে নিজেদের দ্বীনকে বিক্রি করে দিচ্ছে এবং মানুষরূপী কিছু শয়তানের সামনে তাদের মাথা নত করে আছে।
.
এরাই এই উম্মদের সবচেয়ে বড় শত্রু এবং সৃষ্টির নিকৃষ্ট জীব।যারা এই সেনাবাহিনীর বিরূদ্ধে যুদ্ধ করছে তাদের উপর আল্লাহর দয়া ও রহমত বর্ষণ করুন এবং যারা এদের
দ্বারা নিহত হচ্ছেন সেই সকল শহীদদের উপর আল্লাহর দয়া ও রহমত দান করুন।
.
মুরতাদ শাসকদের এই সেনাবাহিনীর কিছু বৈশিষ্ট্য সমূহঃ
*তারা আল্লাহর শারীয়ার বিরুদ্ধে মানব রচিত আইনকে প্রতিষ্ঠিত করছে।
.
*তারা মুসলিম ভূমিগুলোতে অধিষ্ঠিত মুরতাদ (দ্বীন ত্যাগী) শাসকদের নিরাপত্তা দিচ্ছে।
.
*ইসলাম ও কুফরের এই যুদ্ধে তারা কুফরের পক্ষ নিয়েছে।
.
*তারা মুজাহিদীনদের উপর অত্যাচারের নিষ্ঠুর ষ্ট্রিম রোলার চালাচ্ছে, গ্রেফতার করে কাফিরদের হাতে তুলে দিচ্ছে এবং নির্মমভাবে হত্যা করছে।
.
[মহান আল্লাহ্ তা‘য়ালার কাছে আমরা দো‘আ করি তিনি যেন শাইখ আনওয়ার আল-আওলাকিকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করেন এবং আমাদেরকেও তাঁর এই গৌরবময় পথকে অনুসরণ করার তৌফিক দান করেন।]
সোমবার, ৩০ মে, ২০১৬
ক্রোধান্বিত হোন।
#"ক্রোধান্বিত হোন"... শাইখ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহমান আরিফী --এর জ্বালাময়ী ভাষণ।
ও আমার মুসলিম ভাইয়েরা!
কখন আপনাদের ক্রুদ্ধ হওয়ার সময় হবে?
.
ও উম্মাতে মুহাম্মদ! ক্রোধান্বিত হোন।
.
উম্মাতে মুহাম্মাদ!
আপনাদেরকে সাহায্যের জন্য ডাকছে।
কিন্তু আপনি কখনো জালিমের বিরুদ্ধে ক্রোধ অনুভব করেন নি।
.
ক্রোধান্বিত হোন।
.
যখন আমাদের ইজ্জতকে হত্যা করা হয়। যখন আমাদের সন্মানকে পদদলিত করা হয়
.
ক্রোধান্বিত হোন।
.
এক বালিকাকে রাস্তার মাঝে ছুড়ে ফেলা হয়েছে। শত শত জালিম সেনা তাকে ধর্ষণ করতে উদ্যত। যারাই তাকে বাচানোর জন্য এগিয়ে যাচ্ছে স্নাইপাররা তাকে হত্যা করছে।
.
ক্রোধান্বিত হোন।
.
একজন তরুন যাকে আদেশ করা হয়েছিল "বাসার ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই" বলতে, সে তা অস্বীকার করে। হ্যা তার বিশ্বাস তা অস্বীকার করে, তার আত্নবিশ্বাস তা অস্বীকার করে, তার হিম্মত তা অস্বীকার করে। তাই তারা মাটিতে গর্ত খোদাই করে আর তাকে সেখানে ছুড়ে ফেলে। সে ততক্ষণ পর্যন্ত "আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই" বলতে থাকে। যতক্ষণ মাটি দিয়ে তাকে ডেকে দেয়া হয়নি, আর সে মারা যায়নি।
.
ক্রোধান্বিত হোন।
.
বাচ্ছাদের রুমের মাঝে একত্র করে হত্যা করা হচ্ছে। বাচ্ছাদের সামনে মায়েদের ধর্ষণ করা হচ্ছে।
.
পুরুষদের জবাই করা হচ্ছে তাদের সন্তানদের সামনে।
.
এই ধরনের ঘটনাগুলো বর্ণনা করার জন্য কী কোন শব্দ ব্যাবহার করা সম্ভব?
.
কোন জবানিতে এই ধরনের ঘটনা তুলে ধরা যায়?
.
কখন আপনি ক্রোধান্বিত হবেন?
.
ক্রোধান্বিত হোন।
.
আপনার কি অধিকার নেই ক্রোধান্বিত হবার?
.
ক্রোধান্বিত হোন।
.
তাই অবশ্যই জালিমের বিরুদ্ধে ক্রোধান্বিত হোন!
.
আল্লাহ মানুষকে উদাসিন ভাবে বসে থাকার জন্য সৃষ্টি করেননি।
.
পৃথিবী ক্রোধান্বিতের কাছেই মাথা নত করে।
.
আপনি যদি আজকে মাথা নত করেন তাহলে আপনি হাজার বছর ধরে মাথা নত করবেন।
.
ক্রোধান্বিত হোন।
.
আল্লাহর কসম, আল্লাহ কখনই সর্বশ্রেষ্ট জাতির অপমান সহ্য করবেন না।
.
তাই ক্রোধান্বিত হোন!
.
যখন আপনার দুচোখ স্ফুরিত হয়, যখন আপনি দেখেন একজন যুবতি জালিমের জুলুম থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।
.
ক্রোধান্বিত হোন!
.
আপনার শরীরকে মরা লাশ হতে দিবেন না, যা আশেপাশের আর্তনাদকে স্তব্দ করে দেয়। মিসাইল হোন যা প্রতারণার সকল স্তম্ভকে গুরিয়ে দিবে যাতে সত্যের আলো উদ্ভাসিত হয়।
.
ক্রোধান্বিত হোন।
.
আপনি যদি এই পৃথিবীকে অরক্ষিত রেখে যান তাহলে এতে খুনি জুয়াড়ীরা তাণ্ডবলীলা চালাবে। আর আপনি দেখতে পাবেন এমন এক জমানা যেখানে শিশুরা ধর্ষিত হয় এবং ন্যায়ভ্রষ্ট প্রজন্মের পর প্রজন্ম।
.
ক্রোধান্বিত হোন।
.
যখন আপনাকে হোমসের ছোট্র শিশুদের ছবি দেখানো হয়, যারা ক্ষুধায় তৃষ্ণায় মারা যায়।
.
ক্রোধান্বিত হোন!
.
পৃথিবী তার উপর ছুটে চলা ঘোড়ার চিঁহি শব্দ কখনো ভোলে না হাজার বছর পরেও।
.
তাই জালি্মদের বিরুদ্ধে ক্রোধান্বিত হোন!
.
এবং যারা বসে আছে তাদের কোলাহলপূর্ণতা যেন আপনাকে বিমুখ করতে না পারে। যেনে রাখুন পৃথিবী শহীদদের সামনে মাথা নত করে, নতজানু হয়।
.
তাই ক্রোধান্বিত হোন!
.
কারন ক্রোধই বাঁচিয়ে রাখে পৃথিবীকে।
.
আক্রান্ত মুসলিম দেশগুলো এখন সাহায্যের জন্য আবেদন করছে।
.
আল কুসাইর-এ বিশাল জনগন কাঁদছে আর বিশ্বাস রয়েছে নিশ্চুপ। হয় নিজের দ্বীনের জন্য নিজেকে কুরবান করে দিন নতুবা কোন এক জালিমের কাছে নিজেকে বিক্রি করে দিন - এর বাহিরে আর কোন মৃত্যুর ব্যবস্থা নেই।
.
ক্রোধান্বিত হোন।
.
এই জাতির এমন রহস্য আছে যা কেউ জানে না।
.
ক্রোধান্বিত হোন।
.
আমাদের দুয়ায় ও সাহায্যে যদি আমরা সিরিয়া, ফিলিস্তিন সহ পৃথিবীর নির্যাতিত মুসলিমদের ভূলে যাই তাহলে আমাদের লজ্জা আর কখনোই কাটবে না।
.
যদি তোমরা আল্লাহর দ্বীনকে বিজয়ী করার জন্য সাহায্য কর তাহলে আল্লাহও তোমাদের সাহায্য ও বিজয় দান করবেন, আর এটাই আল্লাহর ওয়াদা (৪৭:৭)।